কাহিনী এমন যে হিরো থাকবে। ভীলেন পরিনত হবে, বা কাহিনীর সাপোর্ট নিয়ে বাড়বে অথবা তাকে ঘিরেই তৈরী হবে ঘটনার সারাংস। এটা বিভিন্ন কাহীনির বিন্যাসে প্রাধন্য অথবা দর্শক রুচির কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়।শর্টকাট ধারনায় এটা হচ্ছে শুরু তারপর হবে অনিবার্য সংঘাত এবং সংঘর্ষ। সবশেষে প্রতিহিংসা কিংবা উত্তরন। জয় বা বিজয় এটা কেমন ক্লিশে।কাহিনীতে শেষ ভালো যার সবই ভালো এ নীতি পরিহার করে কাহিনীর শুরুটকে প্রাধান্য দিয়ে নিছক বিনোদনের উদ্দেশ্য বাতিল করে একটি কালজয়ি সিনেমা তৈর কর যায়। যেখানে বিচারের ভার সচেতনতার উপর রাখলেই ভালো। কেননা আমাদের সামাজিক ছবিগুলির বিশাল অংশ এইসব ক্লিশের ধারাবাহিকতা। অথবা একটি স্বয়ংসম্পূর্ন ক্লাইমেক্স ধারনায় তৈরী সিনেমাগুলি।এটা তুলনামূলক সচেতন দর্শকদের পছন্দ।
যে কোন সচল কাহীনিই বানিজ্যিক প্রয়োজনে অবশ্যম্ভাবী ক্লাইমেক্স আর অবশেষে থাকবে চিন্তার খোরাক প্যারাডক্স। লেখককে তো দর্শকদের চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিতে খাটো হওয়া কিছুতেই চলবেনা।
ডক্যুমেন্টারীতে যেহেতু খুবই সাদামাটা ঘটনা থাকে যেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যারা এটা দেখবে বা দেখছেন তাদের গোচরীভূত ছিল বলেই তারা দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এজন্য ডক্যুমেন্টারীর বানিজ্যিক ভ্যালু খুবই কম। মানুষের শিক্ষা এবং সংস্কৃতিক মূল্যবোধগুলি ডক্যুমেন্টারী দেখতে আগ্রহী করে।
বর্তমান সময়টা অনেক জটিলতায় ভরা।একদম সাদামাটা সামাজিক জীবনযাপন এখনকার মানুষদের প্রথম পছন্দ নয়। অর্থনীতির টানাপোড়নে মানুষকে আগের চেয়েও বেশি স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে তৎপর হতে দেখা যাচ্ছে এযুগে। এতসব নানামুখী তৎপরতার মধ্যে সব স্মার্টদের কাছেই একটুখনি অর্থনৈতীক স্বাচ্ছন্দের প্রয়জনীয়তা পূরনই হচ্ছে মূখ্য বিষয়।দেখা যায় এজন্য মুক্তিপ্রাপ্ত রোমান্টিক ছবিগুলি এসময়ে ফ্লপ। তবে তারপরেও কথা থাকে। খুব ভালো ডায়ালগ সহকারে যদি স্ক্রিপ্ট লেখা হয় এবং স্টোরীলাইন যদি সকল প্রামান্য বিষয়গুলিকে উপেক্ষা না করে সঠিক নিয়মগুলি মেনে চলে তবে এধরনের ছবিও দর্শকপ্রিয়তা পেতে বাধ্য।
প্রযুক্তির সঙ্গে যেন বিনোদনের একটি অলিখিত যোগাযোগ রয়েছে। সিনেমা মাধ্যম শুধু দর্শকদের আনন্দ দেবার জন্যই বানিজ্যিক উদ্যেশ্যে এই সিনেজগতের শুরু থেকেই পরিচালিত। ফলে একদিন না একদিন দর্শকদের উপলব্ধিতে এই বানিজ্যিক উদ্যেশ্য পরিস্কার হবেই আর তখন বিনোদনে অভাবে ডিরেক্টরও প্রশ্নের মুখোমুখি হতে বাধ্য। বর্তমানে যেসকল জনরার মুভি তৈরী হচ্ছে তার মধ্যে হরর মুভি, থ্রিলার মুভির সংখ্যা অনেক। ফিল্ম নোয়া অনেক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
এসময়ের সবচাইতে জনপ্রিয় মুভিগুলির বেশিরভাগই অ্যকশন ধর্মী। কোন অজ্ঞাত কারনে এ ধারাবাহিকতা এখনও অব্যহত আছে। সস্তা বিনোদনের ভারসাম্যমূলক সিনেমা সস্তা বিনোদনের ভারসাম আসাম্য রক্ষা করার মত সিনেমা গুলি ভিডিও গেমের মত প্রচন্ড ভায়োলেশনে ভর্তি কিন্তু দর্শকরা এটাই খাচ্ছে। ধীরে ধীরে দর্শকদের ভেতর থেকে অনেকে এই ভারসাম্য রক্ষা করার ছবিগুলি আর পছন্দ করছে না। ভারসাম্য রক্ষা করার এই ছবিগুলি এখন কম পছন্দ করছে দর্শক কারণ এগুলো শুধু সস্তা বিনোদন দিয়ে চলে এসবের আসলে কোন মানে নেই।
আধুনিক যুগে অনেক মানুষের নিজেদেরই ভারসাম্য অনেক বাড়িয়ে নিয়েছে। রেখেছে। তারা নিজেরাই এখন স্বল্প দৈর্ঘ্যের মিনিংফুল ছবি তৈরি করতে পারে, আরো ভালো ভালো ছবি।
পৃথিবীতে এলিয়েন আসার কথা কিনা সেটাই তো ধরা যাচ্ছে না আর এই নিয়ে মাতামাতি করার কি ই বা আছে। কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না। আলো আর অন্ধকারের একটি দ্বন্দ্ব চিরকাল বিদ্যমান।এটা চিরকালই চলবে। কে আলোর পথযাত্রী এটা বোঝা খুবই মুশকিল আর কারা অন্ধকারে বাস করবে জন্য যায় না।তাই তাদেরকেও শিক্ষা দেওয়াটা আরো কঠিন। এলিয়েনরা পৃথিবীতে যদি আসেও তখন তারা সকলের আগে যে কাজটা করবে সেটা হলো কুত্তার লেজটাই সোজা করে দেওয়া। যেন কেউই পৃথিবীতে আর আসতে বা যেতে না পারে। এই আসা যাওয়ার পথটা চিরকালের জন্য বন্ধ করা।
আরো কিছু ছবি আছে যে প্লেন হাইজ্যাক বা কোন কিছু হাইজ্যাক করা কিংবা কাউরে জিম্মি করে রাখা এ ধরনের ছবিগুলি আসলে দর্শকদের মধ্যে সচেতনতা বানানোর জন্য তৈরি করা হলেও আদতে এগুলোও অর্থহীন ছবি। কেননা সবার আগে বুঝতে হবে যে কার প্ল্যান উপযুক্ত কে হাইজ্যাক করলে জিততে পারবে অথবা টিকে থাকতে পারবে কিংবা সফল হবে। সেটাই ফোকাস করা উচিত।
একটা সময় ছিল যখন গোয়েন্দা ঘোরানোর ছবিগুলি অসম্ভব জনপ্রিয় ছিল যেমন জেমস বন্ডের ছবি। এখনো যদিও জেমস বন্ডের দুই একটা ছবি মুক্তি হয় এবং সেটাও মোটামুটি বক্স অফিসে হিট ঠিক করে। কিন্তু তারপরেও এটা বলা যায় যে জেমস বন্ডের নতুন কোন সংস্করণ বা ম্যাট্রিক্স আজও পাওয়া যাচ্ছে না এবং এটা সত্যিই ভয়ানক বিপদজনক। গোয়েন্দা কাহিনীগুলো চিরকালের জন্য ইতিহাসে হারিয়ে যাবে কিনা সেটা বোঝাটা সমস্যা।
একটি ফাংশনাল কম্বাইন্ড সাইকেল মেন্টাল হোমের কি দরকার আছে। সিনেমার ভিতরে মিথ আকর্ষণীয় একটি বিষয়। উদ্ভট কাহিনী হিসাবে না নিয়ে মানুষ এটাকে খুবই উপভোগ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এসব ছবি বানাতে নানা রকমের টেকনিকাল সাপোর্টার দরকার পড়ে। কোন কোন ছবি আছে যেটা শুটিং না করে বরং কম্পিউটারের ভিতরেই জন্ম হয়। আর কিছু কিছু ছবি আছে যেসব ছবির মধ্যে স্টান্টম্যান দের ভূমিকা অত্যন্ত বেশি অর্থাৎ এরা ছাড়া ছবির শুটিং সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন